ক্রীড়া প্রতিবেদক

দুয়ারে কড়া নাড়ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচন। আগামী চার বছরের জন্য কারা থাকবেন সংস্থাটির বিভিন্ন পদে, তা নির্ধারিত হতে যাচ্ছে কাল। টাইগার ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতির চেয়ারে যে আবারও বর্তমান সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনই বসছেন, তা অনেকটা অনুমেয়! তবে কয়েকটা পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক নাঈমুর রহমান দুর্জয় পড়েছেন ভোটের লড়াইয়ে। ক্যাটাগরি-১ এ (আঞ্চলিক ও জেলা ক্রিকেট সংস্থার প্রতিনিধি) ঢাকা বিভাগে দুই পদের জন্য লড়াই করবেন তিনজন। শেষ সময়ে নাম প্রত্যাহার করা মোহাম্মদ খালিদ হোসেনের নামও থাকবে নির্বাচনে। আর তাতেই পদটির জন্য নির্বাচনকে প্রতিদ্বন্দ্বীতা পূর্ণ হিসেবেই দেখছেন সাংসদ দুর্জয়। তার চোখে সাংসদ নির্বাচনের থেকেও বেশি কঠিন বিসিবি নির্বাচন।

সোমবার রাতে রাজধানীর একটি হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচিত হওয়ার আগে কাউন্সিলর আর বিভিন্ন ক্লাবের কর্মকর্তারা ‘গেট টুগেদার’ করেন। সেখানে দুর্জয় বলেন, ‘নির্বাচনের সময় তো কিছু টেনশন কাজ করেই। ইলেকশন করলে আসলে রেজাল্ট না আসা পর্যন্ত তো কিছুটা টেনশন কাজ করেই।’

মানিকগঞ্জ-১ আসন থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন করেন দুর্জয়। সেখানে বহু লোকের ভোটের ব্যাপার থাকলেও বিসিবির অল্প কিছু ভোটের নির্বাচন অনেক বেশি চাপের বলেছেন বাংলাদেশের অভিষেক টেস্টের অধিনায়ক দুর্জয়। ‘আসলে আমার কাছে যা মনে হয় যত কম ভোটের নির্বাচন তত বেশি কঠিন। কারণ আমি যেটা অনুভব করি যে, আমি দুইটা ইলেকশন করি একটা (সংসদ) প্রায় চার লাখ ভোটের, আরেকটা ১৭ ভোটের (বিসিবি)। আমার মনে হয় যে এটা একটু কঠিন।’

বিসিবি পরিচালকের ২৩টি পদের বিপরীতে লড়বেন ৩০ জন প্রার্থী। মোট ২৫ জন পরিচালক নিয়ে গঠিত হবে বিসিবির নতুন কমিটি। এর ভেতর দুজন পরিচালক বিসিবিতে সরাসরি আসবেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের মনোনয়নে। বাকিরা আসবেন কাউন্সিলরদের ভোটে। এদিকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আবারও বিসিবি পরিচালক হওয়ার পথে রয়েছেন আকরাম খান।

By sohail