নিজস্ব প্রতিবেদক

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, আদালত বন্ধ বা খোলা রাখার এখতিয়ার প্রধান বিচারপতির হাতে। এ বিষয়ে তিনিই সিন্ধান্ত নেবেন।

বৃহস্পতিবার আদালতের কার্যক্রম নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আদালত বন্ধ বা আদালত খোলা রাখার যে এখতিয়ার সেটা প্রধান বিচারপতির, আমার নয়। কিন্তু আমার বিশ্বাস করোনাভাইরাসের তীব্রতা যদি কমে যায় তাহলে সেটি বিবেচনা করে প্রধান বিচারপতি সঠিকভাবে সিদ্ধান্ত নেবেন।’

সদ্য প্রয়াত জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক আইনমন্ত্রী আবদুল মতিন খসরু সম্পর্কে আনিসুল হক বলেন, ‘খসরু সাহেবের সঙ্গে আমার পরিচয় ১৯৬৯ সাল থেকে। তখন তিনি ছাত্রলীগ করতেন। সিনিয়র আইনজীবী আব্দুল মতিন খসরু সাহেব একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন।’

মন্ত্রী বলেন, ‘তিনি পাঁচবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনা যখন প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হন তখন তাকে ছয় মাসের জন্য প্রতিমন্ত্রী করেছিলেন। তারপর ’৯৭ সালের জানুয়ারিতে তাকে আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রী করা হয়েছিলো। ব্যক্তিগতভাবে তিনি আমার অত্যন্ত শ্রদ্ধাভাজন। তিনি আমাকে স্নেহ করতেন। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার সময় তিনি তখন মন্ত্রী ছিলেন, আমরা যেখানে কাজ করতাম, কাজ শেষ করে তিনি সন্ধ্যাবেলা আসতেন, আমাদের কাজ শেষ হলে তিনি বাড়ি ফিরতেন। ১৯৯৬ সালে ইনডেমনিটি অ্যার্ডিন্যান্স (কালো আইন) বাতিলের সময় জাতীয় সংসদে যে বক্তব্য দিয়েছিলেন সেটা মনে রাখার মতো। সেদিন তিনি মানুষকে কাঁদিয়েছিলেন।’

মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি তার অগাধ বিশ্বাস ছিল। তিনি আইনজীবী হিসেবে একজন মেধাবী এবং অত্যন্ত প্রজ্ঞাবান আইনজীবী ছিলেন। তার মৃত্যুতে আইন অঙ্গনে একটা বিরাট শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে।

তার মৃত্যুতে আমি অত্যন্ত মর্মাহত হয়েছি। আমি তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।’

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published.