সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষে গত বছরের নির্বাচনে প্রভাব খাটানোর প্রচেষ্টায় অনুমোদন দিয়েছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। মার্কিন গোয়েন্দাদের এক প্রতিবেদনে এমনটি দাবি করা হয়েছে।

মার্কিন সরকারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচনে বিজয়ী জো বাইডেনের বিরুদ্ধে ‘বিভ্রান্তিমূলক এবং ভিত্তিহীন অভিযোগ’ ছড়িয়েছিল মস্কো। তবে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলে বিদেশি কোন সরকারের হাত ছিল না। খবর বিবিসির

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের পরিচালকের কার্যালয় থেকে ১৫ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে একে রাশিয়া এবং ইরানের প্রভাব খাটানোর অভিযান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, রাশিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ৩ নভেম্বরের নির্বাচনের আগে আগে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ ছড়িয়েছে। এছাড়া নির্বাচনী প্রক্রিয়া থেকে আস্থা মুছে ফেলার জন্য গুজব ছড়াতে প্রচারণাও চালানো হয়।

সেখানে বলা হয়েছে, রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মিডিয়া, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং ট্রাম্পের মিত্রদের কাছে বাইডেন বিরোধী বক্তব্য ছড়িয়েছে। রাশিয়া যখন ট্রাম্পের জয় নিশ্চিত করতে কাজ করছিল, ইরান তখন তার সমর্থন দুর্বল করতে ‘বহুমাত্রিক গোপন প্রভাব প্রচারণার’ কাজ করছিল।

ওয়াশিংটন চীনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে সাইবার গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ করে আসলেও অত্যন্ত দৃঢ় বিশ্বাসের সঙ্গে প্রতিবেদনের উপসংহারে বলা হয় যে, ভোটের আগে দেশটি কোন ধরনের প্রভাব বিস্তারের প্রচেষ্টা চালায়নি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, চীন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কে স্থিতিশীলতা চায়। আর তাই নির্বাচনের ফল যাই হোক না কেন সেটি প্রভাব বিস্তারের ঝুঁকির বিপরীতে সুবিধাজনক নয় বলে বিবেচনা করেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্বাচনের প্রক্রিয়া এবং চূড়ান্ত ফল- কোনটাই বিদেশি রাষ্ট্র দ্বারা প্রভাবিত হয়নি। প্রভাব বিস্তার করার এসব প্রচেষ্টার সবই ছিল পরোক্ষ।

তবে মার্কিন নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগ বারবারই অস্বীকার করেছে রাশিয়া।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published.