বিশ্বে এমন অনেক মানুষ আছেন যাদের উচ্চতা স্বাভাবিক নয়। কেউ অস্বাভাবিক ভাবে লম্বা। আবার কেউ কেউ আছেন যাদের সঙ্গে গল্প করতে চাইলে মাথা নিচু হয়ে কথা বলা লাগবে। এদের প্রত্যেকেই কোনো না কোনো রোগে আক্রান্ত।

বিশ্বের সবচেয়ে ছোট মানুষ হলেন নেপালের বাসিন্দা চন্দ্র বাহাদুর ডাঙ্গি। ১৯৩৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। গিনেস বুক অব রেকর্ডের তথ্যানুযায়ী, বামনদের মধ্যে তিনিই সবেচেয়ে বেশিদিন ধরে বেঁচে ছিলেন। ২০১৫ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ৭৫ বয়স বয়সে মারা যান চন্দ্র বাহাদুর ডাঙ্গি।

নেপালের ডাঙ্গি তো আর বেঁচে নেই। তাই জীবিত সবচেয়ে খাটো মানবের খেতাবটা আপাতত লিন ইউ-চিহের দখলে। তিনি তাইওয়ানের একজন লেখক এবং সমাজকর্মী। তিনি অস্টিওজেনেসিস রোগের কারণে স্বাভাবিক শারীরিক উচ্চতা পাননি। ২০০৮ সালের মে মাসে, তিনি ‘দ্য ওয়ার্ল্ড স্মলেস্ট মি’নামক ব্রিটিশ তথ্যচিত্রে হাজির হন।

ভাররতে জ্যোতি সবচেয়ে খাটো নারী হিসেবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়েছেন। ১৯৯৩ সালের ১ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণকারী বিশ্বের সবচেয়ে খাটো নারী হিসেবে পরিচিতি পান তিনি। তার উচ্চতা মাত্র ২৪ ইঞ্চি।

বিশ্বের সবচেয়ে ছোট ব্যক্তির তালিকায় তার আরেকজনের নাম ছিল। তিনি হলেন ফিলিফাইনের জুনরে বালাউইং। ১৯৯৩ সালের জুনে জন্মগ্রহণ করেন এ ব্যক্তি। তার ১৮ বছর বয়সে তিনি ‘সবচেয়ে ছোট জীবিত ব্যক্তি’ খেতাবপ্রাপ্ত হন। মাত্র ২৭ বছর বয়সে তিনি মারা যান।

ইস্তান টথ একজন হাঙ্গেরিয়ান। যার উচ্চতা মাত্র ২৬ ইঞ্চি। ২০১১ সালে তার ৪৮ বছর পরিপূর্ণ হয়। জানলে অবাক হবেন, তার স্ত্রী একজন স্বাভাবিক উচ্চতার নারী এবং তাদের ৩২ বছর বয়সী একজন কন্যা সন্তানও রয়েছেন। পারিবারিকভাবে ইস্তান ও তার পূর্বসূরিরা সার্কাসে কাজ করতেন। ৫০ বছর বয়সে এ ব্যক্তি মারা যান।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published.