সাবেক আইনমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদকে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালের আইসিইউতে রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় মওদুদ আহমদকে হাসপাতালের আইসিইউতে নেয়ার পর অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়।

বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান ঢাকাটাইমসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় মওদুদ আহমদকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তার অবস্থা কিছুটা ভালো বলে জানান তিনি। শায়রুল কবির খান মওদুদ আহমদের সঙ্গেই আছেন।

শায়রুল কবির খান জানান, এখন তিনি (মওদুদ) নড়াচড়া করতে পারছেন। কিন্তু আগের দিন মঙ্গলবার তার অবস্থা সংকটাপন্ন ছিল।

উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ২ ফেব্রুয়ারি মওদুদ আহমদ সিঙ্গাপুরে মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে ভর্তি হন।

মঙ্গলবার মওদুদ আহমদের একান্ত সহকারী মমিনুর রহমান সুজন গণমাধ্যমকে বলেন, স্যারের ফুসফুসে গত ১২ দিন ধরে পানি জমা হচ্ছে। যার কারণে ফুসফুসে অক্সিজেন গ্রহণক্ষমতা একেবারেই কমে গেছে। পাশাপাশি তার কিডনির জটিলতাও দেখা দিয়েছে।

শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটার কারণে চিকিৎসকরা মওদুদ আহমদকে দ্রুত আইসিইউতে স্থানান্তর করেন। সেখানে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ চার্লস থোর তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন আছেন মওদুদ। তার স্ত্রী হাসনা মওদুদও তার সঙ্গে সিঙ্গাপুর রয়েছেন।

রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ হ্রাস, বুকে ব্যথা অনুভব করলে ২৯ ডিসেম্বর মওদুদ আহমদকে ঢাকায় এভার কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি সেখানে ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদারের অধীনে চিকিৎসা নেন। সেখানে তার হার্টে ব্লক ধরা পড়ায় তার হৃদযন্ত্রে স্থায়ী পেসমেকার বসানো হয়।

১৩ জানুয়ারি সিসিইউ থেকে তাকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়। ২০ জানুয়ারি হাসপাতাল থেকে বাসায় নেওয়া হয়। এরপর আবার ২১ জানুয়ারি তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টায় সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তিনি দেশ ছাড়েন। সেখানে দীর্ঘদিন আইসোলেশনে থেকে পরে এলিজাবেথে চিকিৎসা নেন। সঙ্গে তার স্ত্রী হাসনা জসীমউদদীন মওদুদ রয়েছেন।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published.