দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান পদে যোগ দিয়েছেন সাবেক সিনিয়র সচিব মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ। এর আগে তিনি কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি দুদকে যোগ দেন বলে ঢাকাটাইমসকে নিশ্চিত করেছেন সংস্থাটির পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য।

এর আগে গত ৩ মার্চ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহকে দুদকের নতুন চেয়ারম্যান করে আদেশ জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সেইসঙ্গে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সাবেক চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হককে দুদকের কমিশনার করা হয়েছে।

মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ দুদক চেয়ারম্যান পদে ইকবাল মাহমুদের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। ইকবাল মাহমুদের মেয়াদ আগামী ১৩ মার্চ শেষ হচ্ছে। একই সময়ে শেষ হচ্ছে দুদক কমিশনার (তদন্ত) এ এফ এম আমিনুল ইসলামের মেয়াদও।

তবে কমিশনের অপর সদস্য সাবেক জ্যেষ্ঠ সচিব মোজাম্মেল হক খানের মেয়াদ আছে ২০২৩ সালের জুলাই পর্যন্ত। আইন অনুযায়ী তিনজন কমিশনারের সমন্বয়ে দুদক গঠিত হয়।

দুদকের নতুন চেয়ারম্যান মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ ২০১৮ সালের আগস্ট মাসে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হিসেবে অবসরে যাওয়ার পর ২০১৯ সালের জুলাই মাসে রাষ্ট্রায়ত্ত উন্নয়ন সংস্থা পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পান।

মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ ১৯৫৯ সালে কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়ে ১৯৮৩ সালে জনপ্রশাসনে যোগ দেন তিনি। সরকারি চাকরিতে দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক এবং ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, দুদক চেয়ারম্যান পদে মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের একজন বিচারকের পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা এবং অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যন ও একজন কমিশনারের মেয়াদ ফুরিয়ে আসায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ গত ২৮ জানুয়ারি পাঁচ সদস্যের একটি বাছাই কমিটি গঠন করে, যার নেতৃত্বে ছিলেন আপিল বিভাগের বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published.