উড়াল সড়কের নিচে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার ও জায়গাগুলো দখলমুক্ত করার আশ্বাস দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

বুধবার দুপুরে নগরীর ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষীবাজার এলাকায় ‘লক্ষীবাজার খেলার মাঠ’ উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সামনে একথা বলেন তিনি।

মেয়র তাপস বলেন, ‘ফ্লাইওভারের নিচের জায়গাগুলো ব্যাপকভাবে দখল অবস্থায় আছে, অব্যবস্থাপনা আছে, ময়লা-আবর্জনায় ভরপুর। বিভিন্ন মহল সেগুলো দখল করে বিভিন্ন ধরনের পাঁয়তারা করছে। আমরা সেগুলো পর্যায়ক্রমে দখলমুক্ত করব। যাতে করে যান চলাচল করতে পারে, সে ব্যবস্থা আমরা করব এবং খোলামেলা পরিবেশ থাকে, সে ব্যবস্থা আমরা করব।’

ঢাকা উত্তরের মেয়র বলেন, ‘আজ থেকে আমরা নতুন এক উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। আমরা চৌরাস্তাগুলোতে আমাদের ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবস্থাপনাকে ঢেলে সাজাচ্ছি, আধুনিকায়নের প্রক্রিয়া নিয়েছি। আজকে মগবাজার চৌরাস্তা থেকে আমরা এই কার্যক্রম আরম্ভ করলাম।’

নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় প্রতিটি ওয়ার্ডে শিশুদের জন্য উন্মুক্ত স্থান, খেলার মাঠ করার কথা জানিয়ে তাপস আরও বলেন, ‘লক্ষ্মীবাজার এলাকায় এক চিলতে পরিমাণও ফাঁকা জায়গা নেই যেখানে শিশুরা খেলাধুলা করতে পারে। আজকের এই লক্ষ্মীবাজার মাঠটি যদিও ছোট তবুও আমরা এটা উদ্ধার করে মাঠ করে দিয়েছি। এর আগে এখানে অবৈধ দখলদার এটাকে দখলে রেখে মার্কেট কার্যক্রম পরিচালনা করছিল, আমরা এটা অবৈধ দখলমুক্ত করেছি। এভাবে প্রতিটি ওয়ার্ডে আমাদের সন্তানদের খেলার মাঠের ব্যবস্থা আমরা করবো।’

খেলার মাঠ প্রসঙ্গে ডিএসসিসি মেয়র আরও বলেন, ‘আমরা এরই মধ্যে ৭, ১৩, ২৭ ও ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে জায়গা চিহ্নিত করেছি। সেখানে আমরা সন্তানদের জন্য উন্মুক্ত স্থান, খেলার মাঠের ব্যবস্থা করব।’

বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসনে ব্যাপক কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে জানিয়ে ফজলে নূর তাপস বলেন, ‘খালগুলো অবৈধ দখলমুক্ত হচ্ছে, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সেই সাথে খালগুলোর পানি প্রবাহ ঠিক রাখতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। মশক নিয়ন্ত্রণে আমরা কাজ করছি। আগের তুলনায় মশা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আগামীতে ডিএসিসি এলাকায় ইনশাআল্লাহ্‌ মশা আরও নিয়ন্ত্রণে আসবে।’

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্রধান প্রকৌশলী রেজাউর রহমান, সচিব আকরামুজ্জামান, সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডগুলোর সাধারণ আসন ও সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলরবৃন্দ, অঞ্চল-৪ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হায়দার আলী, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আরিফুল হক, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. জাফর আহমেদ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মুন্সী মোহাম্মদ আবুল হাসেম, কাজী মো. বোরহান উদ্দিন, মো. খায়রুল বাকের।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published.